On mantra chaitanya and dIkShA by Ma Anondomoyee

[Bengali below]

mantra chaitanya and dIkShA

Me:Maa,what is mantrachaitanya?

Ma:Let’s say,when I call you ‘baba’,you then immediately respond. There is a non-difference between the namer and named,that’s why when we call Him by the name He responds. If one attains sAkShAtkAra with his iShTa by the very repition of his mantra,then we say that person has made the mantra ‘chetana’

Me:  What is this sAkShAtkAra of the mantradevatA with the iShTa like?Does he see him as different from the iShTa or within the iShTa?

Ma: Even if the sAdhaka initially sees himself as seperate from his iShTa,when the tattvaprakAsha of the iShTa begins,within those tattvas of the iShTa,the sAdhaka sees himself. That’s why do they not say,one must become a deity to worship that deity. In worshipping the ideal,the sAdhaka becomes the ideal,and thus they become one.

Me:I heard when the sadguru gives dIkShA then he makes the mantra ‘alive'(chetana). You told just now that that mantra alone is chetana,on the ucchAraNa of which,the deity is seen/visible to the sAdhaka. But we see when we do mantrajapa,no devatA is seen. Does that mean that our mantras have not been given life/consciousness?

Ma: No,why?dIkShA is also of many types,there is one type of dIkShA when on dIkShA itself the disciple radically transforms. One this dIkShA his deha of the five bhUtas:This deha of bhUtas merges into the bhUtas and he gains svarUpa-sthiti. This is the supreme dIkShA.

The dIkShA we get from mahApuruShas or sadgurus,that is madhyama-dIkShA. Here the guru with His own shakti donates the mantra to the shishya. Through this the shishya slowly gains liberation from saMsAra and attains svarUpa sthiti. This process needs time. Some people say that the shishya gets liberated in three lifetimes. Even if the shishya cannot percieve it,the mantrashakti of the sadguru  is working. That’s why it is said,a shishya who is surrendered to a sadguru(sadguru’r Asrita shishya),whether he does anything or not,there is no obstacle to his upliftment/unnati. Though yes,if he does japa and tapasyA with that mantra he can get unnati(upliftment) very quickly.

Another type of dIkShA exists that is sAdhAraNa dIkShA,for example mantropadesha by a kulaguru or someone similar. The kulaguru (usually) does not have his own kShamatA(shakti/strength) that he can give alonw with the mantra,but even then from every mantra,they have their own shakti(strength). Because every mantra is siddha. Someone at some point of time in the existence of this universe did japa of this mantra and attained siddhi. So,the internal shakti of the mantra alone drives the shishya in this case. However,the gati of this is very slow.

Apart from this is there is the matter of multiple dIkShAs also. Like a guru gives a mantra, and from its japa the shishya becomes a little unnata(uplifted),and after that to uplift him even further,he gives the shishya another mantra. In this manner,before the supreme dIkShA,the shishya can get many mantradIkShAs. This kramadIkShA that causes this svataH-sphUraNa in the shishya in course of time,the first dIkShAguru can lift the shishya from one level to another as per what is the best for the shishya at that course of time. And it can also be the case that the guru reveals himself and gives repeated dIkShAs in a krama and uplifts the shishya.  Just because guru is not in a physical body,kramadIkShA does not face obstacles. Because guru is immortal. As per time and the necessity of the student(translator’s note:Deservingness too),he reveals Himself. Jai MA!!!

🌺 Sri Amulya Kumar Dasgupta 🌺

Source:This link by Avijit Chatterjee

মন্ত্রচৈতন্য ও দীক্ষা

আমি : মা, মন্ত্রচৈতন্য কাহকে বলে ?

মা : মন্ত্রচৈতন্য কেমন ? ধর, যেন আমি তোমাকে ‘ বাবা ‘ বলিয়া ডাকিলাম, তুমি অমনি উত্তর দিলে। নাম নামী অভেদ কিনা, তাই নাম ধরিয়া ডাক দিলে নামী সাড়া দেয়। মন্ত্র উচ্চারণ মাত্রই যদি মন্ত্রদেবতা বা ইষ্টের সহিত সাক্ষাৎকার হয় তবে সেই মন্ত্রকে চেতন মন্ত্র বলা যায়। ইহাই মন্ত্রচৈতন্য।

আমি : এই যে মন্ত্রদেবতা বা ইষ্ট সাক্ষাৎকারের কথা বলিলে ইহাই বা কেমন ? সাধক কি নিজকে ইষ্ট হইতে আলাদা দেখেন, না নিজকে ইষ্টের মধ্যে দেখেন ?

মা : প্রথম প্রথম সাধক নিজকে ইষ্ট হইতে আলাদা দেখিলেও মন্ত্রদেবতা বা ইষ্টের যখন তত্ত্ব প্রকাশ হইতে আরম্ভ হয় তখন সেই তত্ত্বের মধ্যে সাধক নিজেকেও দেখে। সেইজন্য বলা হয় না যে দেবতা হইয়া দেবতার পূজা করিতে হয় ? ইষ্টপূজা করিতে গিয়া সাধক তখন নিজেকেই পূজা করে। অর্থাৎ ইষ্ট আর সাধক তখন এক হইয়া যায়।

আমি : শুনিয়াছি সদগুরু যখন দীক্ষা দেন তখন তিনি মন্ত্রকে চেতন করিয়া দেন। চেতন মন্ত্রের অর্থ তুমি এই মাত্র বলিলে যে সেই মন্ত্রই চেতন যাহার উচ্চারণমাত্র দেবতার প্রকাশ হয়। কিন্তু আমরা দেখিতেছি যে আমরা মন্ত্র জপ করিয়া যাইতেছি কিন্তু কোন দেবতা ত প্রকাশিত হইতেছে না। তাহা হইলে কি আমরা বুঝিব যে আমাদের মন্ত্র চেতন করা হয় নাই ?

আমি : না, তা’ কেন ? দীক্ষাও অনেক রকমের হয়। এক রকম দীক্ষা আছে যেখানে দীক্ষা মাত্রই শিষ্যের আমূল পরিবর্ত্তন হইয়া যায়। এই দীক্ষা প্রাপ্তি মাত্র শিষ্যের যে পঞ্চভূতের দেহ আছে উহা পঞ্চভূতে মিশিয়া যায় এবং সে একেবারে স্বরূপে স্থিতিলাভ করে। ইহাকেই চরম দীক্ষা বলে।

মহাপুরুষ বা সদগুরু হইতে যে দীক্ষা হয় তাহাকে মধ্যম দীক্ষা বলা চলে। এখানে গুরু নিজ শক্তি মন্ত্রে দিয়া উহা শিষ্যকে দান করেন। ঐ দীক্ষার ফলে শিষ্য ধীরে ধীরে সংষ্কার মুক্ত হইয়া পরে স্বরূপে স্থিত হয়। এইরূপ সংষ্কার মুক্ত হইতে কিছু সময় লাগে। কেহ কেহ বলেন যে অন্ততঃ তিন জন্মের মধ্যে শিষ্য মুক্ত হয়। সদগুরুর এই মন্ত্রশক্তি শিষ্য উপলব্ধি করিতে না পারিলেও উহা কাজ করিতেছে। সেইজন্য বলা হয় যে সদগুরুর আশ্রিত শিষ্য কোন কাজ করুক বা না করুক তাহাতে তাহার উন্নতির কোন ব্যাঘাত হয় না। তবে মন্ত্র পাইয়া সে যদি জপ তপ করে তবে শীঘ্র শ্রীঘ্র উন্নতি উপলব্ধি করিতে পারে।

আর একরকম দীক্ষা আছে যাহাকে সাধারণ দীক্ষা বলা যাইতে পারে, যেমন কুলগুরুর দীক্ষা। এখানে কুলগুরুর ত এমন কোন ক্ষমতা নাই যে সে উহা মন্ত্রের সঙ্গে যোগ করিয়া দেবে, কিন্তু তবুও প্রত্যেক মন্ত্রের মন্ত্রেরই একটা নিজস্ব শক্তি আছে। কারণ প্রত্যেক মন্ত্রই সিদ্ধ। কোন না কোন সময়ে এই মন্ত্র জপ করিয়া কেহ না কেহ সিদ্ধ হইয়াছেন। কাজেই মন্ত্রের এই অন্তর্নিহিত শক্তি শিষ্যকে চালিত করিতে থাকে। তবে ইহার গতি খুব ধীর।

ইহা ছাড়া বার বার দীক্ষারও ব্যবস্থা আছে। যেমন গুরু এক মন্ত্র দিলেন, উহা জপ করিয়া শিষ্য একটু উন্নত হইলে পরে তাহাকে আরও উন্নত করিবার জন্য আবার অন্য মন্ত্র দিলেন। এইরূপ চরম দীক্ষা পাইবার পূর্বে বহুবার দীক্ষা হইতে পারে। এই যে ক্রম দীক্ষা ইহা শিষ্যের ভিতর কালক্রমে স্বতঃই স্ফুরিত হইতে পারে, অর্থাৎ গুরু যে প্রথম দীক্ষা দিলেন উহাই শিষ্যকে এক স্তর হইতে অন্য স্তরে লইয়া যাইতে যাহা দরকার তাহা সময় মত শিষ্যের মধ্যে ফুটাইয়া তুলিতে পারে। আবার এমনও হয় যে গুরু নিজে প্রকট হইয়া বার বার দীক্ষা দিয়া তাহাকে ক্রমোন্নতির পথে লইয়া যাইতে পারেন। গুরু দেহে নাই বলিয়া যে ক্রম দীক্ষার কোন ব্যাঘাত হয় তাহা নয়। কারণ গুরু কখনও মৃত হইতে পারে না। সময় মত এবং প্রয়োজন মত সর্ব্বদাই তিনি নিজেকে প্রকট করেন। জয় মা !!! ♥️♥️♥️

🌺 শ্রী অমূল্য কুমার দত্তগুপ্ত 🌺

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s